পুলিশ সুপার নচিকেত বিশ্বনাথ শেলকে জানিয়েছেন যে গন্ধিকোটের পাথুরে অঞ্চলটি পায়ে হেঁটে টহল দেওয়ার পক্ষে অত্যন্ত বিশাল। যদিও সংযোগকারী রাস্তায় সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে যানবাহন ট্র্যাক করা হয়, তবে গিরিখাতের চারপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা মূলত অরক্ষিত থাকে।
অন্ধ্রপ্রদেশের বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র গন্ধিকোটাতে অপরাধ দমন এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি জোরদার করেছে কাদাপা জেলা পুলিশ। ভারতের 'গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন' নামে পরিচিত এই স্থানে প্রতিবেশী রাজ্য কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা এবং তামিলনাড়ু থেকেও প্রচুর পর্যটক আসেন। কিন্তু সম্প্রতি সেখানে প্রকাশ্য মদ্যপান এবং উচ্ছৃঙ্খল দলের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় পুলিশ ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করে নজরদারি শুরু করেছে।
কাদাপার পুলিশ সুপার নচিকেত বিশ্বনাথ শেলকে জানিয়েছেন যে, বিশাল পাথুরে পাহাড়ি এলাকায় পায়ে হেঁটে টহল দেওয়া পুলিশের পক্ষে বেশ কঠিন। তাই অপরাধীদের দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে ড্রোন নজরদারির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় কলেজ পড়ুয়াদের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে এখানে আসার প্রবণতাও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে গত বছর এখানে এক ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যুর পর এই পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল।