প্রাক্তন নারী হকি ক্যাপ্টেন প্রীতম রানি সিভাচ ১৯৯৮ সালে নেদারল্যান্ডে বিশ্বকাপে খেলেছিলেন। প্রায় তিন দশক পর, তার পুত্র যশদীপ একই দেশে তার প্রথম সিক্সার্ডে ডাচ রিইউনিয়নে বিশ্বকাপের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ সাথে সিভাচ পরিবার প্রথম মা‑পুত্র জুটি হয়ে আন্তর্জাতিক হকিতে বড় মঞ্চে হাজির হচ্ছে।
প্রাক্তন ভারতীয় নারী হকি ক্যাপ্টেন প্রীতম রানি সিভাচ ১৯৯৮ সালের ইউট্রেখ্টে বিশ্বকাপে খেলেছিলেন, তার পুত্র যশদীপ সিভাচ এখন একই দেশে, একই টুর্নামেন্টে খেলতে যাচ্ছেন। ২৬ বছর বয়সী ডিফেন্ডারকে নেদারল্যান্ড ও বেলজিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের ভারতীয় স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা পরিবারকে এক আবেগপূর্ণ মাইলফলকে পৌঁছে দিচ্ছে।
যশদীপ তার নির্বাচনের খবর প্রথমেই মাকে জানিয়ে দিয়েছেন, যার চোখে জল এসে যায়। তিনি বলেন, “মা যে দেশে বিশ্বকাপে খেলেছিলেন সেখানে আবার খেলতে পারা আমার জন্য বিশেষ অনুভূতি।” হকি ছাড়াও তার শৈশবে সাঁতার ছিল, তবে হঠাৎ করে হকির দিকে ঝুঁকে তিনি পিতামাতার সঙ্গে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে গিয়ে বেঞ্চ থেকে ম্যাচ দেখতেন।
সিভাচ পরিবারে হকি ছাড়া কিছুই নেই; বাবা কুলদীপও হকির খেলোয়াড় এবং এখন পিতার সাথে মিলিয়ে হকি একাডেমি পরিচালনা করেন। বোন কনিকা জুনিয়র স্তরে ভারতের হয়ে খেলেছেন এবং সিঁড়ি বেয়ে সিনিয়র টিমে প্রবেশের স্বপ্ন দেখছেন। যশদীপ, যিনি রক্ষণে বিশেষজ্ঞ, বলেন, “আমি গোল রক্ষা করতে পছন্দ করি, যদিও মা ও বোন বেশি গোল করেন।” তার এই আত্মবিশ্বাস কোচ ক্রেগ ফাস্টনের প্রশিক্ষণ ও দলের অভিজ্ঞ রক্ষণশীলদের সমর্থনে গড়ে উঠেছে।