ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে হৌতি গোষ্ঠীর সামুদ্রিক অবরোধের মাধ্যমে। সউদীর রেড সি বন্দরগুলোতে নির্ভরতা বাড়ছে, যা আর্থিক ক্ষতি বাড়িয়ে দেবে। ট্রাম্পকে যদি যুদ্ধ শেষ করতে হয়, তবে অবিলম্বে আত্মসমর্পণ ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে।

ইয়েমেনের হৌতি গোষ্ঠী, যা ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র, ২০ জুলাই সৌদি আরবের রেড সি বন্দরগুলোতে জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়, ফলে ইরান‑সংযুক্ত যুদ্ধের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করে। হৌতি গোষ্ঠী ইতিমধ্যে সানায় একটি বিমানবন্দর আক্রমণ করে সাময়িক সশস্ত্র অবশ্যম্ভাবী চুক্তি ভেঙে দিয়েছে, ফলে অঞ্চলের বাণিজ্যিক পথগুলো সংকুচিত হয়েছে।

ইরান যখন হরমুজ প্রণালী বন্ধ করেছিল, তবুও সৌদি আরব তার ইস্ট‑ওয়েস্ট পাইপলাইন ব্যবহার করে রেড সি থেকে তেল রপ্তানি চালিয়ে গিয়েছিল। হৌতির সম্পূর্ণ অবরোধ হলে সৌদিরা আর্থিক ধাক্কার মুখোমুখি হবে, বিশেষ করে ইয়ানবু বন্দর থেকে এশিয়ার বাজারে তেল পৌঁছাতে বাব‑এল‑ম্যান্ডেব স্ট্রেইটে পার হতে হবে, যা হৌতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের জুন ১৭ তারিখে ইরানের সঙ্গে মেমোরান্ডাম স্বাক্ষরের সুযোগ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের জড়িততা কমানোর, কিন্তু হরমুজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পুনরায় যুদ্ধের পথে ফিরে গিয়ে তিনি সুযোগটি নষ্ট করেছেন। এখন যদি তিনি সত্যিই যুদ্ধ শেষ করতে চান, তবে অবিলম্বে গোলাগুলি বন্ধ করে কূটনৈতিক আলোচনায় ফিরে আসা একমাত্র উপায়।