যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরবের নতুন নাগরিক পারমাণবিক চুক্তি ইরান‑সংশ্লিষ্ট যুদ্ধের মাঝখানে ঘোষণা করা হয়। ট্রাম্প চুক্তি স্বাক্ষরের পর নতুন শর্ত যোগ করেন—সৌদি আরবকে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দিতে হবে। এই পরিবর্তন সৌদি ও ইরানের কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও জটিল করে তুলেছে।

যুক্তরাষ্ট্র‑সৌদি আরব নাগরিক পারমাণবিক চুক্তি, যা ইরানের পারমাণবিক প্রোগ্রামের কারণে তীব্র ইউ‑ইরান সংঘাতে ঘটছে, সময়ের দৃষ্টিকোণ থেকে সবচেয়ে অপ্রাসঙ্গিক মুহূর্তে ঘোষিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নতুন শর্ত যোগ করেন—সৌদি আরবকে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দিতে হবে, যদিও এটি মূল চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

মহামারীর মতো তেল‑নির্ভর অর্থনীতিকে বিচ্ছিন্ন করতে এবং ভিশন ২০৩০ অনুযায়ী আর্থিক, পর্যটন ও AI ডেটা সেন্টারসহ বৃহৎ প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে চাওয়া সিংহাসন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) পারমাণবিক শক্তিকে শক্তি নিরাপত্তার সমাধান হিসেবে দেখছেন। তবে চুক্তিতে সৌদি আরবকে আইএএএর অতিরিক্ত প্রোটোকল গ্রহণের বাধ্যবাধকতা না থাকা, এবং ট্রাম্পের শর্তের হঠাৎ পরিবর্তন রিয়াদের নিরাপত্তা গ্যারান্টির প্রতি সন্দেহ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা ইরানের পারমাণবিক সমঝোতায় আরও কঠোর অবস্থানকে উদ্দীপিত করতে পারে।