গত এক মাসে বোম্বে হাই কোর্ট কমপক্ষে নয়টি মামলায় দুগ্ধ প্রতিষ্ঠান, দুধ বিক্রেতা, চার-তারকা হোটেল ও ফোর্টের একটি রেস্টুরেন্টের লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিলের আদেশ স্থগিত করেছে। আদালত জোর দিয়ে বলেছেন যে কোনো সতর্কতা ছাড়াই বন্ধ করা শুধুমাত্র প্রকৃত স্বাস্থ্যের ঝুঁকি থাকলেই সম্ভব, টাইল ভাঙা বা দুইটি কীটের উপস্থিতি যথেষ্ট নয়।
বোম্বে হাই কোর্ট, নগপুর ও আওরঙ্গাবাদে শেষ একটি মাসে ন্যূনতম নয়টি মামলায় FDA‑এর লাইসেন্স স্থগিতের আদেশ স্থগিত বা রিভার্স করেছে। আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে, কোনো সতর্কতা না দিয়ে বন্ধ করা হলে তা অবশ্যই সত্যিকারের জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি নির্দেশ করতে হবে, ছোটখাটো ত্রুটি যেমন টাইল ভাঙা বা দু’টি কীটের উপস্থিতি তা নয়।
ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্টের ধারা ৩২ অনুসারে, প্রথমে একটি ‘ইমপ্রুভমেন্ট নোটিশ’ ইস্যু করা হয় এবং ব্যবসায়ীকে কমপক্ষে ১৪ দিন সময় দেওয়া হয় সংশোধনের। শুধুমাত্র যখন মালিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হন, তখনই লাইসেন্স স্থগিত করা যায়, আর তা রদ করা যায় একটি শো‑কজ নোটিশের পরে। আদালত প্রশ্ন করেছে যে, FDA‑এর ‘অসাধারণ’ ক্ষমতা এই ধারা অনুযায়ী যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে কিনা।
নগপুর বেঞ্চের রায়ে বলা হয়েছে যে, শুধুমাত্র ফ্লোরের পিচ্ছিলতা মত গৌণ বিষয়ের ভিত্তিতে তৎক্ষণাত্ বন্ধ করা যুক্তিসঙ্গত নয়; তবে খাবার যদি জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে, তখনই তা সম্ভব। অন্যান্য উদাহরণে, আওরঙ্গাবাদ বেঞ্চ দুধ সরবরাহকারী ও বিক্রেতাদের লাইসেন্স স্থগিত আদেশ স্থগিত করেছে, আর রাভিন্দ্র ভি ঘুঘে নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ চার-তারকা হোটেলের লাইসেন্স পুনঃপ্রদান করেছে। পর্ণিমা রেস্টুরেন্টের মামলায় আদালত সমতা ও ন্যায়বিচার বজায় রাখার গুরুত্ব পুনরায় জোর দিয়েছে।