স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে আন্তর্জাতিক ও যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড‑ব্রেকিং বক্স অফিস অর্জন করেছে, যা ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’কে ছাড়িয়ে গেছে। এই সাফল্য মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের (এমসিইউ) ভবিষ্যৎকে পুনর্গঠন করতে পারে এবং এখনই প্রশ্ন জাগে, আর কি এমসিইউ থাকবে?

সোনি পিকচারসের ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ ওপেনিং উইকএন্ডে ৩৬০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ উদ্বোধনী রেকর্ড গড়ে তুলেছে, যা ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’কে ছাড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিকভাবে এই চলচ্চিত্রটি দ্বিতীয় স্থান অর্জন করলেও, তার আয় এখনও চমকপ্রদ।

এই বিশাল সাফল্য শিল্পে একটি সতর্ক সংকেত পাঠিয়েছে — এমসিইউ, যা গত দশক ধরে একত্রে গল্প বলার মডেল হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল, এখন তার মূল রূপান্তরকে সামনে নিয়ে যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন ভবিষ্যতে মার্ভেল স্টুডিও শুধুমাত্র স্পাইডার-ম্যান ও অ্যাভেঞ্জার্স সিরিজে মনোনিবেশ করবে, আর অন্যান্য প্রকল্পগুলো হ্রাস পাবে।

বক্স অফিসের পাশাপাশি স্ট্রিমিং ভিউয়ারশিপেও পতন দেখা যাচ্ছে, যা মার্ভেলকে নতুন কৌশল তৈরি করতে বাধ্য করছে। যদিও কিছু ফিল্ম এখনো বিলিয়ন ডলার সীমা অতিক্রম করেছে, অধিকাংশ প্রকল্পের আয় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের নিচে আটকে রয়েছে।