টিকিট বাতিলের মাধ্যমে রেলওয়ে কত টাকা আয় করে এবং বন্দে ভারত ও অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের জন্য রিফান্ড সংক্রান্ত নিয়ম কী, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

সংসদে একটি প্রশ্নের উত্তরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন যে, টিকিট বাতিল এবং অনলাইন ওয়েটিং লিস্ট টিকিট স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হওয়ার মাধ্যমে কত আয় হয়, তার কোনো জোন-ভিত্তিক আলাদা রেকর্ড রাখা হয় না। তবে সাধারণ এবং প্রিমিয়াম ট্রেনগুলির জন্য টিকিট বাতিলের নিয়মগুলো তিনি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।

সাধারণ ট্রেনের ক্ষেত্রে, যাত্রার ৪৮ ঘণ্টা আগে বাতিল করলে নির্দিষ্ট ফি (যেমন ফার্স্ট এসি-র জন্য ২৪০ টাকা) কাটা হয়। যাত্রার ১২ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে বাতিল করলে ভাড়ার ৫০% কাটা হয়। অন্যদিকে, বন্দে ভারত স্লিপার এবং অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের মতো আধুনিক ট্রেনগুলির ক্ষেত্রে নিয়ম আরও কঠোর। এই ট্রেনগুলির ক্ষেত্রে যাত্রার ৭২ ঘণ্টা আগে বাতিল করলে ২৫% এবং ৭২ থেকে ৮ ঘণ্টা আগে বাতিল করলে ৫০% ভাড়া কেটে নেওয়া হয়।

রেলমন্ত্রীর মতে, প্রিমিয়াম ট্রেনগুলিতে এই কঠোর নিয়মগুলি চালু করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো টিকিট কালোবাজারি এবং দালালি রুখে দেওয়া। এর ফলে সাধারণ যাত্রীরা সহজেই কনফার্ম আসন পেতে পারেন এবং জাল বুকিংয়ের প্রবণতা হ্রাস পাবে।