সম্প্রতি ডাও জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ ১,০০০ পয়েন্টের বেশি কমে গেছে, যা গত পাঁচ বছরে নবম বারের মতো এমন বড় পতন। সাধারণত, এই ধরনের পতনের পর সূচকটি প্রথম কয়েক দিন বা এক সপ্তাহ ধরে সংগ্রাম করলেও, এক মাস এবং তিন মাসের মধ্যে এটি আবার ঘুরে দাঁড়ায়।

वीडियो लोड हो रहा है...

বুধবার ডাও জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ ১,০০০ পয়েন্টের বেশি কমে গেছে। ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার স্থির রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এবং মার্কিন তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮৫ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছানোর কারণে এই পতন ঘটে। গত পাঁচ বছরে, ব্লু-চিপ সূচকটি নয় বার ১,০০০ পয়েন্টের বেশি পতন দেখেছে। সাধারণত, এই ধরনের বড় পতনের পর সূচকটি পরবর্তী সপ্তাহে আরও কিছুটা কমে যায়, তবে এক মাস এবং তিন মাসের মধ্যে এটি উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো পারফর্ম করে।

উদাহরণস্বরূপ, ২০১৯ সালের এপ্রিলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর তিনটি বড় পতন হয়েছিল, যা পরে শুল্ক পরিকল্পনায় ৯০ দিনের বিরতির পর পুনরুদ্ধার করে। ২০২২ সালে চারটি পতন ঘটেছিল যখন ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেডারেল রিজার্ভ একাধিকবার সুদের হার বাড়িয়েছিল, যার ফলে মন্দার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ২০২৩ সালের আগস্ট এবং ডিসেম্বরে দুটি বড় পতন দেখা যায়, যার কারণ ছিল দুর্বল শ্রমবাজারের প্রতিবেদন এবং ফেডের সুদের হার কমানোর বিষয়ে সতর্ক মনোভাব। বর্তমান পরিস্থিতিতে, জুলাই ২০২৬-এর বৈঠকে ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রাখায় এবং তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে বিনিয়োগকারীরা উদ্বিগ্ন, যা ঐতিহাসিক প্রবণতা অনুযায়ী স্বল্পমেয়াদী অস্থিরতা বজায় রাখতে পারে।