উটাহর একটি স্থানীয় উদ্ভাবন কীভাবে কাস্টমাইজেশন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমেরিকার একটি জাতীয় ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে, তা এখানে আলোচনা করা হয়েছে। এই পানীয়টি মূলত সাধারণ সোডার সাথে সিরাপ, ক্রিম এবং ফলের রসের মিশ্রণ।
এক সময় নিউ ইয়র্কের সোডা ফাউন্টেনগুলো বিভিন্ন অদ্ভুত পানীয়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের আকর্ষিত করত। এক শতাব্দী পরে, সেই পুরনো অভ্যাসটি এখন 'ডার্টি সোডা' হিসেবে নতুন জীবন পেয়েছে। সাধারণ সোডার সাথে সিরাপ, ক্রিম, ফলের পিউরি এবং সাইট্রাস মিশিয়ে তৈরি এই পানীয়টি এখন আমেরিকার একটি জাতীয় ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে।
২০০৯ সালে উটাহর নিকোল ট্যানার তার পাঁচ সন্তানের ভরণপোষণের জন্য এই ব্যবসার ধারণাটি নিয়ে আসেন। তিনি স্টারবাকস যেভাবে কফিকে একটি গন্তব্যে পরিণত করেছে, ঠিক সেভাবে সোডাকে অনন্য করতে চেয়েছিলেন। তার তৈরি 'Swig' ব্র্যান্ডটি কাস্টমাইজেশনের মাধ্যমে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায় এবং শীঘ্রই 'ডার্টি সোডা' শব্দটি পরিচিতি লাভ করে।
সোশ্যাল মিডিয়া এবং টিকটকের প্রভাবে এই ট্রেন্ডটি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে জেন-জি প্রজন্ম, যারা অ্যালকোহল কম গ্রহণ করছে, তারা এই সাশ্রয়ী এবং রঙিন পানীয়গুলোকে সামাজিক আড্ডার একটি অংশ হিসেবে বেছে নিচ্ছে।