ইরান যুদ্ধের প্রভাবে BP-এর শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেলেও, জ্বালানি খাতের অস্থিরতা বিনিয়োগকারীদের জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে। কোম্পানিটি বর্তমানে ঋণ কমানো এবং সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে নিজেদের আর্থিক ভিত্তি মজবুত করার চেষ্টা করছে।

ইরান যুদ্ধের কারণে BP-এর শেয়ারের দাম বছরের শুরুর তুলনায় প্রায় এক চতুর্থাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কোম্পানিটি বর্তমানে একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে এই উত্থান স্থায়ী হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিক রিপোর্টে দেখা গেছে যে ব্রেন্ট ক্রুডের উচ্চ দাম এবং রিফাইনিং মার্জিনের উন্নতির ফলে কোম্পানির আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে জ্বালানি খাতের অস্থিরতা একটি বড় ঝুঁকি। BP বর্তমানে তাদের নেট ঋণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে তা ১৪-১৮ বিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে। এর জন্য তারা তাদের নর্থ সি বিজনেস বিক্রির মতো পদক্ষেপ নিচ্ছে। কোম্পানিটি তাদের ব্যালেন্স শিট শক্তিশালী করার মাধ্যমে ডিভিডেন্ড বা লভ্যাংশ বৃদ্ধি করার সম্ভাবনা দেখছে।

বর্তমানে BP-এর শেয়ার ৪.৫% ডিভিডেন্ড দিচ্ছে, যা শেল-এর তুলনায় বেশি। তবে জ্বালানি পণ্যের দাম কমে গেলে শেয়ারের দামও কমতে পারে। তাই আয় ভিত্তিক বিনিয়োগকারীদের জন্য এখনই টাকা খাটানোর চেয়ে বাজারের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে।