চেক বাউন্স মামলায় দেরিতে আপোষ বা মীমাংসা করলে চেক অংকের ওপর অতিরিক্ত জরিমানা দিতে হতে পারে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুযায়ী, মামলার পর্যায় যত বাড়বে, জরিমানার পরিমাণ তত বৃদ্ধি পাবে।
চেক বাউন্স বা চেক ডিজঅনার মামলায় যদি আপনি আপোষ করতে চান, তবে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া আপনার জন্য সাশ্রয়ী হতে পারে। নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট-এর ১৩৮ ধারার অধীনে চলা এই মামলাগুলোতে মামলার পর্যায় যত বাড়বে, মীমাংসার জন্য অতিরিক্ত খরচ তত বৃদ্ধি পাবে। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশিকা অনুযায়ী, ডিফেন্স এভিডেন্স বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সাক্ষ্য দেওয়ার আগে মীমাংসা করলে কোনো অতিরিক্ত খরচ লাগে না।
তবে ডিফেন্স এভিডেন্স রেকর্ড হওয়ার পর মীমাংসা করলে চেক অংকের ৫% অতিরিক্ত দিতে হয়। মামলাটি যদি সেশন কোর্ট বা হাইকোর্টে পৌঁছায়, তবে এই খরচ ৭.৫% এবং সুপ্রিম কোর্টের পর্যায়ে পৌঁছালে তা ১০% পর্যন্ত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ১০ লক্ষ টাকার একটি চেক বাউন্স মামলা যদি সুপ্রিম কোর্টে মীমাংসা করা হয়, তবে চেক অংকের অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে হতে পারে।
এই ক্রমবিন্যস্ত জরিমানার মূল উদ্দেশ্য হলো পক্ষগুলোকে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করতে উৎসাহিত করা, যাতে বছরের পর বছর আদালতের সময় নষ্ট না হয়। সম্প্রতি পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট একটি মামলায় এই নীতি প্রয়োগ করে দেখিয়েছে যে, এমনকি সাজা হওয়ার পরেও আপোষ করা সম্ভব, তবে সেক্ষেত্রে নির্ধারিত অতিরিক্ত খরচ প্রদান করতে হবে।