পাঁচটি মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো (MLFF) টোল প্লাজার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, প্রায় ১০% যানবাহন বৈধ FASTag ছাড়াই টোল প্লাজা অতিক্রম করছে। দিল্লির মুণ্ডাকা টোল প্লাজায় নিয়ম লঙ্ঘনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।
সাম্প্রতিক একটি বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ব্যারিয়ার-লেস বা বাধা-হীন টোল প্লাজাগুলোতে প্রায় প্রতি ১০টি গাড়ির মধ্যে একটি ত্রুটিপূর্ণ বা অবৈধ FASTag নিয়ে চলাচল করছে। মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে পাঁচটি MLFF টোল প্লাজা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোট ১০.৫২ লক্ষ ই-নোটিশ জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে দিল্লির মুণ্ডাকা টোল প্লাজায় সবচেয়ে বেশি ৪.৫৪ লক্ষ ই-নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
এই ব্যবস্থায় গাড়ি থামানোর প্রয়োজন হয় না, তবে ব্যালেন্স কম থাকলে বা FASTag কাজ না করলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ই-নোটিশের টাকা পরিশোধ করতে হয়, অন্যথায় দ্বিগুণ জরিমানা দিতে হয়। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মোট ই-নোটিশের প্রায় ৪০% টাকা আদায় করা সম্ভব হয়েছে, যেখানে গুজরাটের চোরিয়াসিতে আদায় সবচেয়ে বেশি এবং দিল্লিতে মুণ্ডাকায় সবচেয়ে কম।
যানবাহন অনুযায়ী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নিয়ম লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কার বা জিপ সবচেয়ে বড় কারণ, যা মোট ই-নোটিশের ৯১% এর বেশি। সরকার হাইওয়ের যানজট কমাতে এবং ভ্রমণের সময় বাঁচাতে ২০২৯ সালের মধ্যে সমস্ত জাতীয় মহাসড়কে এই MLFF ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা করছে।