মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দুর্বল খুচরা বিক্রয়ের তথ্যের কারণে ডলারের মূল্য হ্রাস পেয়েছে, যার ফলে সোনার দাম দুই সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ডলারের মান কমে যাওয়ায় ক্রেতাদের কাছে মূল্যবান এই ধাতুটি সস্তা হয়ে উঠেছে এবং এর দাম প্রতি আউন্স প্রায় ৪,৪০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বল খুচরা বিক্রয় এবং ভোক্তা চাহিদার তথ্যের কারণে ডলারের সূচক ০.২% হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪,৩৯১.৬০ ডলারে পৌঁছেছে, যা ৪,৪০০ ডলারের মনস্তাত্ত্বিক সীমার অত্যন্ত কাছাকাছি। ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা কিছুটা কমে যাওয়ায় অ-লভ্যাংশকারী সম্পদ হিসেবে সোনার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।
সোনার এই সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে বিনিয়োগকারীদের নতুন আগ্রহ এবং বিশেষ করে চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনা কেনার প্রবণতা বড় ভূমিকা পালন করেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালীতে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা বাজারে কিছুটা অস্থিরতা বজায় রেখেছে। বুধবার প্রকাশ হতে যাওয়া ফেডারেল রিজার্ভের নীতি নির্ধারণী বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে সুদের হারের বিষয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা।