মুম্বাইয়ের এক গার্মেন্ট ব্যবসায়ী কোভিড-১৯ মহামারির সময় ব্যবসা হারিয়ে দুই বছর ধরে ভি-ভি-আইপি রেলওয়ে টিকিটের জালিয়াতি চালিয়ে ছিলেন। রাজ ভবন থেকে লোক ভবন নাম পরিবর্তনের ফলে পুরনো লেটারহেড ব্যবহার করে তিনি ধরা পড়েন। শেষ পর্যন্ত সাতজন সন্দেহভাজন গ্রেফতার এবং বৃহৎ জালিয়াতি নেটওয়ার্ক উন্মোচিত হয়।

মুম্বাইয়ের গার্মেন্ট ব্যবসায়ী অমরিশ ঠাক্কার কোভিড-১৯ মহামারিতে তার ব্যবসা হারানোর পর ভি-ভি-আইপি রেলওয়ে টিকিটের জালিয়াতি শুরু করেন। তিনি প্রকৃত ভিআইপি কোটা থেকে টিকিট সংগ্রহ করে প্রতি টিকিটে প্রায় ২০০ টাকা কমিশন নিতেন। চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রেলওয়ে কর্মকর্তারা আবেদন গ্রহণ বন্ধ করলে তিনি নকল লেটারহেড, স্বাক্ষর এবং সিল ব্যবহার করে জালিয়াতি চালিয়ে যান।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেন্ট্রাল রেলওয়ে দুটি সন্দেহজনক রিজার্ভেশন অনুরোধ চিহ্নিত করে তা লোক ভবনের অফিসে পাঠায়। গভার্নরের অফিসের একজন কর্মী নথিগুলি অ্যাডিসি অব গভার্নরকে দেখিয়ে, নকল লেটারহেড ও সিল দ্রুত শনাক্ত করে। এই পর্যবেক্ষণই জালিয়াতি উন্মোচনের মূল কারণ হয়।

পুলিশের তদন্তে অমরিশের ভাই সাগর এবং অন্যান্য সহকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে প্রকাশ পায় যে তিনি ২০০ টিরও বেশি এজেন্টের একটি নেটওয়ার্ক গঠন করে টেলিগ্রাম ও বর্ণার নম্বরের মাধ্যমে কাজ করছিলেন। মোট সাতজন সন্দেহভাজন বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়েছে এবং আরও রেলওয়ে কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার সম্ভাবনা তদন্ত চলছে।