যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে র‍্যাগিংয়ের কারণে ১৭ বছর বয়সী ছাত্রের মৃত্যুর তিন বছর পরও ন্যায়বিচার পাননি তার বাবা। ১২ জন অভিযুক্ত পুলিশ হেফাজতে থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্তে নাম আসা অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

২০২৩ সালের ৯ আগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন হোস্টেলের দ্বিতীয় তলা থেকে পড়ে ১৭ বছর বয়সী এক ছাত্রের মৃত্যু হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, হোস্টেলের কিছু ছাত্র ও প্রাক্তন ছাত্রের দ্বারা সে মানসিক নির্যাতন ও র‍্যাগিংয়ের শিকার হয়েছিল। এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং ২০২৩ সালের অক্টোবরে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

তবে মামলার বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ায় এবং শুনানির তারিখ বারবার পিছিয়ে যাওয়ায় ভুক্তভোগীর বাবা অত্যন্ত হতাশ। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তদন্তে যে সমস্ত অভিযুক্তের নাম এসেছে, তাদের বিরুদ্ধে কেন কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি? আদালতের দরজায় বারবার ঘুরেও তিনি এখনও কেবল ন্যায়বিচারের প্রতীক্ষায় রয়েছেন।