সাইবার-এথনোগ্রাফার রুবি জে. থেলট ব্যাখ্যা করেছেন কেন ভাইরাল হওয়া মানেই কোনো বিষয় জনপ্রিয় হওয়া নয়। তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের সংস্কৃতির ধারণা বদলে দিচ্ছে।

গত এক দশক ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া কন্টেন্ট দেখে রুবি থেলট নিজেকে একই প্রশ্ন করছেন: এটি কি একটি বিজ্ঞাপন? এই অ্যাকাউন্টটি কি আসল? নাকি এটি কেবল একটি সাময়িক ঘটনা? 'লুক্সম্যাক্সিং'-এর মতো কিছু নতুন শব্দ আসলেও, সব ভাইরাল বিষয় মূলধারার সংস্কৃতিতে টিকে থাকে না। এনএফটি (NFT) বা ক্লাবহাউস (Clubhouse)-এর মতো ট্রেন্ডগুলো একসময় খুব জনপ্রিয় হলেও দ্রুত হারিয়ে গেছে।

নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির গবেষক থেলট বলেন, ইন্টারনেটের বর্তমান অবস্থা অনেকটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো। আমরা প্রত্যেকে আমাদের নিজস্ব ডিজিটাল জগতে বাস করি, যেখানে ভাইরাল হওয়া বিষয়গুলো আসলে জোরপূর্বক ব্যবহারের ফল। তিনি জানান যে, কোনো বিষয় ভাইরাল হওয়া মানেই সেটি দীর্ঘস্থায়ী সংস্কৃতি নয়। অনেক ক্ষেত্রে ভিউ পাওয়ার জন্য কন্টেন্ট তৈরি করা হয়, যা প্রকৃত সাংস্কৃতিক মূল্য বহন করে না।

ডেটিং অ্যাপের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। ডেটিং বার্নআউট বা ক্লান্তি নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও, ডেটা বলছে নেতিবাচকতা আসলে মাত্র ২৫ শতাংশ। এছাড়া প্রেডিকশন মার্কেট বা বাজি ধরার প্রবণতা কেবল অর্থ উপার্জনের জন্য নয়, বরং সংস্কৃতির সাথে যুক্ত থাকার একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।