গত দুই বছরে ৪২টি খনি বন্ধ করা হয়েছে এবং কয়লা মন্ত্রক আগামী বছরগুলোতে আরও ১০৫টিরও বেশি খনি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বন্ধ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এটি একটি নতুন সবুজ পরিষেবা শিল্প এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগ তৈরি করছে।
ভারত বর্তমানে একটি পরিবেশবান্ধব 'সার্কুলার অর্থনীতি'র পথে হাঁটছে, যেখানে খনি বন্ধ করার প্রক্রিয়াটিকে কেবল একটি আইনি বাধ্যবাধকতা হিসেবে নয়, বরং একটি জাতীয় মিশনে পরিণত করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার খনি বন্ধের জন্য ৪০,০০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করেছে, যার ২৫% স্থানীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। এর লক্ষ্য হলো খনি এলাকাগুলোকে পর্যটন কেন্দ্র এবং উৎপাদনশীল সম্পদে রূপান্তরিত করা।
২০২৫ সালের খনি বন্ধের নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়াটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে যাতে পরিবেশগত পুনরুদ্ধার এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা যায়। কয়লা নিয়ন্ত্রক সংস্থা RECLAIM এবং L.I.V.E.S.-এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় সম্প্রদায় ও খনি পরিকল্পনাকারীদের সঙ্গে সমন্বয় সাধনের চেষ্টা করা হচ্ছে। জার্মানির GIZ-এর সঙ্গে কারিগরি সহযোগিতার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগটি নবায়নযোগ্য শক্তি, কার্বন ফাইন্যান্স এবং গ্রিন ইনফ্রাস্ট্রাকচারের মতো নতুন খাতের বিকাশ ঘটাবে। এর ফলে খনি অঞ্চলের মানুষ কয়লা উত্তোলনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন ধরনের সবুজ কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।