মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জুলাই মাসের রিটেইল বিক্রয় ০.৬% হ্রাস পেয়েছে, যা পূর্বাভাসের তুলনায় কম। এই তথ্য ডলারের মূল্যকে নিচের দিকে ঠেলে দেয় এবং ইউরো ও পাউন্ডকে বহু মাসের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছায়। ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ নীতি নিয়ে বাজারের অস্থিরতা বাড়ছে।
রিটেইল বিক্রয় জুলাই মাসে ০.৬% হ্রাস পেয়ে ২০২৬ সালের প্রথম দিকে ডলারের সূচককে ০.২৫% কমিয়ে ৯৯.৬৭ তে নামিয়ে দেয়। জুনে ০.২% বৃদ্ধি সত্ত্বেও, বিশ্লেষকরা ০.১% বৃদ্ধির অনুমান করলেও বাস্তবে বিক্রয় কমে যায়, যা ভোক্তা ব্যয়ের দুর্বলতা নির্দেশ করে। ফেডারেল রিজার্ভের সেপ্টেম্বরের মিটিংয়ে হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা এখন মাত্র ৩১% এবং ডিসেম্বরের মধ্যে ৬৯% পর্যন্ত অনুমান করা হচ্ছে।
ইউরো ০.৩২% বৃদ্ধি পেয়ে $১.১৫৬৪‑এ পৌঁছেছে, যা জুন ১৭‑এর পর সর্বোচ্চ। স্টার্লিংও ০.৩৩% বাড়ে $১.৩৫৩‑এ, মে ১২‑এর সর্বোচ্চ স্তরে। অন্যদিকে, জাপানি ইয়েন ০.০৮% বাড়ে $১ ডলারে ১৫৯.৩৭‑এ, তবে সপ্তাহে প্রায় ১% পতনের দিকে। বাজারে তেল দামের উত্থান, ইরান‑সংশ্লিষ্ট ভূ‑রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং জাপানের সুদের হার বৃদ্ধি প্রত্যাশা মুদ্রা বাজারকে প্রভাবিত করছে।