গণবিক্ষোভের ফলে জনজীবনে অসুবিধা সৃষ্টি হওয়া এবং সহিংসতার মধ্যে পার্থক্য করা জরুরি। সাম্প্রতিক পুলিশি পদক্ষেপ এবং সুপ্রিম কোর্টের শুনানির প্রেক্ষাপটে বিক্ষোভের সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সাম্প্রতিক ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন এবং তার বিরুদ্ধে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি শুরু হয়েছে। দিল্লি ও বিহারের ঘটনায় পুলিশি লাঠিচার্জ এবং অত্যধিক শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। আদালত এখন দেখার বিষয় যে, পুলিশি পদক্ষেপগুলি কতটা আনুপাতিক ছিল এবং কেন অনেক পুলিশ সদস্য পর্যাপ্ত সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই মোতায়েন ছিলেন।

বিক্ষোভের গণতান্ত্রিক উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রকে অস্বস্তিতে ফেলা, যা কেবল নির্দিষ্ট স্থানে বা অনুমতির মাধ্যমে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। তবে, জনঅসুবিধা এবং সহিংসতার মধ্যে একটি সূক্ষ্ম রেখা রয়েছে। জনতা যখন বিক্ষোভের কারণে সাময়িক অসুবিধার সম্মুখীন হয়, তা বিক্ষোভের রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি করে, কিন্তু সহিংসতা অন্যের অধিকার খর্ব করে। তাই একটি জাতীয় প্রোটোকল থাকা প্রয়োজন যা জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং বিক্ষোভের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখবে।