জেন জেডের ছাত্র প্রতিবাদগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য অপ্রত্যাশিত সুযোগ সৃষ্টি করেছে। শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষক প্রশিক্ষণ, পাবলিক স্কুলের মান উন্নয়ন, ন্যায়সঙ্গত পরীক্ষা এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরকার নতুন শিক্ষামন্ত্রী ও উচ্চস্তরের কমিটি গঠন করে সংস্কারের সূচনা করেছে।
বছরের পর বছর শিক্ষাক্ষেত্রের অস্থিরতা অব্যাহত থাকলেও, জেন জেডের নেতৃত্বে ছাত্রদের ধারাবাহিক প্রতিবাদ সরকারকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপর অপ্রত্যাশিত চাপ দিয়ে দেয়। নতুন শিক্ষামন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, নন্দন নিলেকণি নেতৃত্বে একটি কমিটি পরীক্ষা সংস্কারের দায়িত্ব পেয়েছে এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি পুনর্গঠন করা হচ্ছে।
শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমে শিক্ষক প্রশিক্ষণকে বাধ্যতামূলক ৫০ ঘন্টার বার্ষিক প্রোগ্রাম করা উচিত, যাতে আধুনিক পেডাগজিক পদ্ধতি শিখতে পারেন। পাবলিক স্কুলের মান উন্নয়ন করে কোচিং সংস্কৃতিকে ঐচ্ছিক করতে হবে, আর NEET ও অন্যান্য প্রবেশিকা পরীক্ষা অনলাইন করে লিকের ঝুঁকি কমানো দরকার। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্বায়ত্তশাসন দিয়ে গবেষণা ও শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে হবে।