ওড়িশার বৌধ জেলার মালিসাহি গ্রামের ২৬ বছর বয়সী লজ ম্যানেজার রাকেশ প্রধান 'উল্লাস' (ULLAS) বয়স্ক শিক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে নিজের জীবন বদলে ফেলেছেন। নিজের নাম লিখতে না পারা রাকেশ এখন আত্মবিশ্বাসের সাথে নথিপত্রে সই করছেন এবং সাধারণ হিসাবনিকাশ করতে পারছেন।
ওড়িশার বৌধ জেলার ২৬ বছর বয়সী রাকেশ প্রধান মাত্র ছয় মাস আগেও নিজের নাম লিখতে পারতেন না। আজ তিনি টিপসই দেওয়ার বদলে অনায়াসে নথিপত্রে স্বাক্ষর করছেন, মোবাইলে বার্তা পাঠাচ্ছেন এবং দৈনন্দিন হিসাবনিকাশ নিজেই করছেন। শৈশবে আর্থিক অনটনের কারণে অষ্টম শ্রেণীতেই পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য হওয়া রাকেশের এই রূপান্তর সম্ভব হয়েছে সোমনাথ বারিক নামের এক স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষকের হাত ধরে, যিনি তাকে ভারত সরকারের 'উল্লাস' (ULLAS) প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা দিয়েছেন।
২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতির অধীনে ২০২২ সালে চালু হওয়া 'উল্লাস' কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য কেবল অক্ষরজ্ঞান নয়, বরং বয়স্কদের ডিজিটাল ও আর্থিক সাক্ষরতা প্রদান করা। রাকেশের মতো বহু মানুষের জন্য এটি একটি জীবন পরিবর্তনকারী অভিজ্ঞতা হলেও, বাস্তব জীবনে এই শিক্ষা বজায় রাখা এবং প্রযুক্তির অভাবের মতো বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ এখনও রয়ে গেছে। তবে এই উদ্যোগ বহু মানুষকে স্বাবলম্বী করে তুলছে।