RTI-এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে যে, NEET পুনরায় পরীক্ষার বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন কর্মীদের নিয়োগ এবং যাচাইয়ের দায়িত্ব NTA-র ছিল না, বরং তা EdCIL-কে আউটসোর্স করা হয়েছিল। বিহারে ডামি ক্যান্ডিডেট র্যাকেটের জেরে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে।
বিহারের একটি ডামি ক্যান্ডিডেট র্যাকেট সামনে আসার পর NEET-UG পুনরায় পরীক্ষার বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ইন্ডিয়া টুডে একটি RTI-এর মাধ্যমে জানতে পেরেছে যে, পরীক্ষা কেন্দ্রের বায়োমেট্রিক কর্মীদের নিয়োগ এবং তাদের পরিচয় যাচাই করার দায়িত্ব NTA-র ছিল না। পরিবর্তে, এই দায়িত্বটি EdCIL (India) Limited নামক একটি সরকারি সংস্থার কাছে আউটসোর্স করা হয়েছিল।
বিহার পুলিশের তদন্তে দেখা গেছে যে, লখিসরাই জেলার তিনটি কেন্দ্রে একটি বিশাল জালিয়াতি চক্র সক্রিয় ছিল। এই চক্রে মোট ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ জনই বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন কর্মী। অভিযোগ রয়েছে যে, এই কর্মীরা জাল নথি এবং ভুয়ো আধার কার্ড ব্যবহার করে আসল পরীক্ষার্থীর পরিবর্তে অন্যদের পরীক্ষা দিতে সাহায্য করছিল।
RTI-তে NTA স্পষ্ট জানিয়েছে যে, EdCIL-এর সাথে তাদের একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) রয়েছে এবং তারা সরাসরি কোনো তৃতীয় পক্ষের ভেন্ডরের সাথে যুক্ত নয়। ফলে, পরীক্ষা কেন্দ্রে পরিচয় যাচাইকারী কর্মীদের জবাবদিহিতার বিষয়ে একটি বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে।