বলিউড পরিচালক ইমতিয়াজ আলী তাঁর নতুন দেশভাগভিত্তিক ড্রামা ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’-র অপ্রত্যাশিত সাফল্য নিয়ে কথা বলেছেন। নসীরুদ্দিন শাহ এবং দিলজিৎ দোসাঞ্জহ অভিনীত এই সিনেমাটি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করেছে।
১২ জুন, ২০২৬-এ মুক্তি পাওয়ার পর, ইমতিয়াজ আলীর ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’ শুরুতে বক্স অফিসে খুব একটা সাড়া ফেলছিল না। তাঁর অন্যান্য ক্লাসিক সিনেমার মতো এটিও শুরুতে সীমিত পরিসরে মুক্তি পেয়েছিল। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার জোরালো সমর্থন সিনেমাটিকে এক নতুন জীবন দান করে। ইনস্টাগ্রাম রিলস এবং টুইট থেকে দর্শকদের মধ্যে এক ধরণের মালিকানা বোধ তৈরি হয়, যা সিনেমাটিকে থিয়েটারে ফিরিয়ে আনে।
সিনেমার কাহিনীটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের প্রেক্ষাপটে ৯৫ বছর বয়সী শিখ বৃদ্ধ ইশার সিং গ্রেওয়ালের (নসীরুদ্দিন শাহ) জীবনের গল্প নিয়ে। তাঁর প্রথম প্রেম জিয়ার কাছে ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি এবং তাঁর নাতিয়ের (দিলজিৎ দোসাঞ্জহ) সেই স্বপ্ন পূরণ করার লড়াই সিনেমাটিকে আবেগঘন করে তুলেছে। ইমতিয়াজ জানিয়েছেন, ট্রেলার দেখে অনেকে এটিকে তাঁর আগের কাজ ‘লাভ আজ কাল’-এর মতো মনে করলেও, দেশভাগের প্রেক্ষাপট এবং শক্তিশালী অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।
নসীরুদ্দিন শাহের অভিনয় এই সিনেমার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। ডিমেনশিয়া আক্রান্ত একজন বৃদ্ধের চরিত্রে তাঁর নিখুঁত অভিনয় দর্শকদের কাঁদিয়ে ফেলেছে। ইমতিয়াজ আলীর মতে, শাহ একজন এমন অভিনেতা যিনি চরিত্রের গভীরে গিয়ে নিজেকে সম্পূর্ণ বিলীন করে দিতে পারেন।