'স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে' সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে। এই নতুন অধ্যায়টি দেখার আগে 'নো ওয়ে হোম'-এর শেষভাগে পিটার পার্করের জীবনে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো একনজরে দেখে নেওয়া যাক।
'স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে' এই সপ্তাহে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে। নতুন এই ছবিটিতে পিটার পার্কারকে সম্পূর্ণ একা এক নতুন লড়াই শুরু করতে দেখা যাবে। 'নো ওয়ে হোম'-এর শেষে ডক্টর স্ট্রেঞ্জের একটি জাদুমন্ত্রের কারণে পুরো বিশ্ব পিটার পার্কারের অস্তিত্ব ভুলে যায়। ফলে এমজে, নেড বা হ্যাপির মতো তার প্রিয় মানুষেরা আর তাকে চিনতে পারে না। মাস্কের আড়ালে থাকা মানুষটিকে ভুলে গেলেও, বিশ্ব শুধু স্পাইডার-ম্যানকে মনে রেখেছে।
পূর্ববর্তী ছবির ঘটনায় গ্রিন গবলিনের হাতে পিসি মে-র মৃত্যুর পর পিটার মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। পরবর্তীতে অন্য ইউনিভার্সের দুই স্পাইডার-ম্যানের (টবি ম্যাগুইয়ার এবং অ্যান্ড্রু গারফিল্ড) সাহায্যে সে ভিলেনদের সুস্থ করে তোলে এবং মাল্টিভার্সের বিপর্যয় রোধ করে। তবে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকে বাঁচাতে তাকে নিজের পরিচয় সম্পূর্ণ মুছে ফেলার আত্মত্যাগ করতে হয়। 'ব্র্যান্ড নিউ ডে' ছবিটির গল্প এর চার বছর পর থেকে শুরু হবে, যেখানে পিটার কোনো অ্যাভেঞ্জার্স বা প্রিয়জনদের সাহায্য ছাড়াই একা নিউ ইয়র্ক শহরকে রক্ষা করবে। ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন পরিচালিত এই ছবিতে টম হল্যান্ড ও জেন্ডায়া প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।