সাম্প্রতিক কিছু চলচ্চিত্র যেমন 'বাটওয়ারা ১৯৪৭' এবং 'ম্যায় ওয়াপাস আসুঙ্গা' ভারতের ঐতিহাসিক বিভাজন এবং সংস্কৃতির মেলবন্ধনকে নতুনভাবে তুলে ধরছে। শবানা আজমি এবং নাসিরুদ্দিন শাহর মতো কিংবদন্তি শিল্পীরা নতুন প্রজন্মের কাছে ভারতের মূল আদর্শ ও সহনশীলতা মনে করিয়ে দিচ্ছেন।

আদিত্য ধারের 'উরি'র পর থেকে ভারতীয় চলচ্চিত্রে দেশপ্রেমের চিত্রায়ন বদলে গেছে, যেখানে আগ্রাসন এবং 'নয়া ভারত'-এর ধারণা প্রবল হয়েছে। তবে সম্প্রতি 'বাটওয়ারা ১৯৪৭' এবং 'ম্যায় ওয়াপাস আসুঙ্গা'-র মতো সিনেমাগুলো ভারতের সেই পুরনো গঙ্গা-যমুনা সংস্কৃতি এবং সহনশীলতাকে পুনরায় সামনে নিয়ে আসছে।

রাজকুমার সন্তোষির 'বাটওয়ারা ১৯৪৭' দেশভাগের ট্র্যাজেডি এবং সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গল্প বলে। যেখানে একটি মুসলিম পরিবার দেশভাগের সময় এক বৃদ্ধ হিন্দু মহিলাকে রক্ষা করে। অন্যদিকে, ইমতিয়াজ আলীর 'ম্যায় ওয়াপাস আসুঙ্গা' দেশভাগের দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ক্ষত এবং ভালোবাসার অপূর্ণতার মাধ্যমে মানুষের মানবিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

শবানা আজমি এবং নাসিরুদ্দিন শাহর মতো প্রবীণ শিল্পীরা এই চলচ্চিত্রগুলোর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে ভারতের সেই প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরছেন, যা সময়ের সাথে সাথে কিছুটা হারিয়ে যাচ্ছিল। এই সিনেমাগুলো কেবল বিনোদন নয়, বরং ভারতের আত্মিক সত্তার প্রতিফলন।