'মেইন ওয়াপাস আউঙ্গা' এবং 'বাতওয়ারা ১৯৪৭' দুটি চলচ্চিত্র যা ভারতের স্বাধীনতার পটভূমিতে নির্মিত হলেও মূলত দেশভাগের মানবিক দিকগুলিকে তুলে ধরেছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার চেয়ে মানুষের আবেগ ও সম্পর্কের ওপর এই সিনেমাগুলি বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে হিন্দি সিনেমায় দেশভাগের প্রেক্ষাপটে দুটি বড় সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। 'মেইন ওয়াপাস আউঙ্গা' এবং 'বাতওয়ারা ১৯৪৭' উভয় সিনেমাই ভারত ও পাকিস্তানের দেশভাগের সময়কার মানবিক মূল্যবোধ এবং মানুষের ব্যক্তিগত লড়াইয়ের গল্প বলে। এই সিনেমাগুলি ঘৃণা বা বিদ্বেষের পরিবর্তে ভালোবাসা, আশা এবং অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েছে।
ইমতিয়াজ আলীর 'মেইন ওয়াপাস আউঙ্গা' একটি প্রেমের গল্প যা সময় ও সীমানা ছাড়িয়ে যায়। পরিচালক জানিয়েছেন যে, ইতিহাসের এই বিশাল মানবিক ট্র্যাজেডির মাঝেও তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। অন্যদিকে, রাজকুমার সন্তোষীর 'বাতওয়ারা ১৯৪৭' দেশভাগের সময় মানুষের সাহস এবং চরম নিষ্ঠুরতা—উভয় দিকটিই ফুটিয়ে তুলেছে। এই সিনেমাটি মূলত একটি পরিবারের প্রেক্ষাপটে দেশভাগের মানবিকতা ও দায়িত্ববোধকে তুলে ধরেছে।