একজন আরটিআই কর্মী অভিজিৎ দিপকের পরিবারের সম্পদ নিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তিনি দিপকের পিতার জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার পদ ও বেতন সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন, এবং বিদেশে পড়াশোনার অর্থের উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন। এই দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
অভিজিৎ দিপকের পিতার জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার পদ এবং মাসিক বেতন সম্পর্কে আরটিআই কর্মী প্রশ্ন তোলেন, যা তার পরিবারের আর্থিক অবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। কর্মী উল্লেখ করেন, ‘৬০ হাজার বেতন থেকে কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার খরচ মেটানো সম্ভব?’
এদিকে, দিপকের রাজনৈতিক পার্টি কোকরোচের তহবিলের সাথে তার পিতার আর্থিক অবস্থা মিলিয়ে তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে। আরটিআই কর্মী ইসিইকে চিঠি লিখে এই প্রশ্নগুলো উপস্থাপন করেছেন, যাতে পারদর্শিতা নিশ্চিত করা যায়।
এই অভিযোগের ফলে নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ বাড়ছে, যাতে সকল প্রার্থীর আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায় এবং জনসাধারণের বিশ্বাস রক্ষা করা যায়।