একটি সংসদ কমিটি রিপোর্টে প্রকাশিত হয়েছে যে, শহরের বাসে থাকা প্যানিক বাটনগুলোকে শোষণের হাতিয়ার করা হয়েছে। ১৫ টাকা মূল্যের বাটনের জন্য চালকদের কাছ থেকে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হয়েছে। এই প্রথা জনসাধারণের নিরাপত্তা ও ভ্রমণ খরচে বড় প্রভাব ফেলছে।

সংসদীয় কমিটি দ্বারা প্রস্তুত করা রিপোর্টে বলা হয়েছে, কিছু বাস কোম্পানি প্যানিক বাটনকে আয় বাড়ানোর উপায় হিসেবে ব্যবহার করছে। চালক ও কর্মীরা দাবি করে যে, রিক্সার বাটনের রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হচ্ছে, যা প্রায় ১৫ টাকা থেকে শুরু করে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

এই জবরদস্তি প্রক্রিয়া শুধুমাত্র চালকদের আর্থিক ক্ষতি নয়, বরং যাত্রীর নিরাপত্তা ঝুঁকির দিকে নিয়ে যায়। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ত্বরিত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে বাস পরিষেবা স্বচ্ছ এবং সবার জন্য সাশ্রয়ী থাকে।