৩০ বছর বয়সের পর মা হওয়ার পরিকল্পনা করা নারীদের জন্য প্রজনন ক্ষমতা বা ফার্টিলিটি সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে, সঠিক জীবনযাত্রা এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান সময়ে অনেক কর্মজীবী নারী ক্যারিয়ার বা দেরিতে বিয়ের কারণে ৩০ বছর বয়সের পর মা হওয়ার পরিকল্পনা করেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে ফার্টিলিটি বা প্রজনন ক্ষমতা কিছুটা কমতে শুরু করে। বিশেষ করে ৩৫ বছর বয়সের পর ডিম্বাণুর গুণমান এবং সংখ্যায় পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

সুস্থ গর্ভাবস্থার জন্য সুষম খাবার খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করা, মানসিক চাপ কমানো এবং পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া ধূমপান ও মদ্যপান থেকে দূরে থাকা উচিত। যদি ৬ থেকে ১২ মাস চেষ্টা করার পরেও গর্ভধারণ না হয়, তবে দেরি না করে ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বর্তমানে IVF, IUI এবং ওভিউলেশন ইনডাকশন-এর মতো উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে সফলভাবে মা হওয়া সম্ভব।