বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের স্বাস্থ্যসেবা কৌশলে লক্ষণ দেখা দেওয়ার অপেক্ষায় না থেকে নিয়মিত স্ক্রিনিং এবং ক্যান্সারের দ্রুত শনাক্তকরণের ওপর জোর দেওয়া উচিত। সম্প্রতি একটি ওয়েবিনার চলাকালীন এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
মহাজন ইমেজিং অ্যান্ড ল্যাবস আয়োজিত একটি ওয়েবিনারে অনকোলজিস্ট, রেডিওলজিস্ট এবং ল্যাবরেটরি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, ভারতের স্বাস্থ্যসেবা কৌশলে ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং দ্রুত শনাক্তকরণকে কেন্দ্রীয় গুরুত্ব দিতে হবে। লক্ষণ দেখা দেওয়ার পর রোগ নির্ণয় করার পরিবর্তে নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের ওপর বেশি জোর দেওয়া প্রয়োজন।
ডেটা অনুযায়ী, দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে ক্যান্সার সংক্রান্ত ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে প্যাপ স্মিয়ার টেস্ট ৮৩%, প্রোস্টেট-স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন (PSA) টেস্ট ২৮০% এবং ম্যামোগ্রাফি পরীক্ষা ২৬% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা প্রতিরোধমূলক স্ক্রিনিংয়ের প্রতি ক্রমবর্ধমান সচেতনতা নির্দেশ করে।
মহাজন ইমেজিং অ্যান্ড ল্যাবসের প্রতিষ্ঠাতা হর্ষ মহাজন বলেন, প্রতিরোধমূলক পরীক্ষা বৃদ্ধির অর্থ হলো সচেতনতা বাড়ছে, তবে কেবল সচেতনতাই যথেষ্ট নয়। ক্যান্সার স্ক্রিনিংকে স্বাস্থ্যসেবার একটি রুটিন বা নিয়মিত অংশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।