পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন যে বমি বা বমি ভাব শরীরের একটি প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যা বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন যে সব বমিই বিষক্রিয়া নয় এবং অতিরিক্ত বমি বিপদজনক হতে পারে।

পুষ্টিবিদ ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডিম্পল জাংদা জানিয়েছেন যে বমি হলো শরীরের একটি প্রাচীন সতর্কবার্তা ব্যবস্থা। যখন কোনো বিষাক্ত পদার্থ শরীরে প্রবেশ করে, মস্তিষ্ক সংকেত দেয় এবং শরীর বমির মাধ্যমে তা বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে। তিনি বলেন, বমি ভাবকে চেপে রাখা উচিত নয়, কারণ শরীর তখন অন্য কোনো উপায়ে সেই বিষ বের করার চেষ্টা করতে পারে যা আরও জটিল হতে পারে।

তবে ক্লিনিকাল ডায়েটিশিয়ান ডাঃ স্নেহা একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান যে বমি সবসময় বিষক্রিয়ার কারণে হয় না; মাইগ্রেন, গর্ভাবস্থা বা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও হতে পারে। তিনি সতর্ক করেছেন যে বারবার বমি করলে শরীরে পানিশূন্যতা এবং ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে।

যদি বমির সাথে তীব্র পেটে ব্যথা, রক্তপাত, উচ্চ জ্বর বা বিভ্রান্তি দেখা দেয়, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। চিকিৎসকদের মতে, বমি যদি ২৪-৪৮ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয়, তবে তা জরুরি চিকিৎসার সংকেত হতে পারে।