রাতে দেরি করে খাবার খেলে শরীরের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা কমে যায়, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সঠিক সময়ে এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের শরীরের গ্লুকোজ প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা একটি প্রাকৃতিক জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। দিনের বেলা আমাদের কোষগুলি ইনসুলিনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল থাকে, কিন্তু সন্ধ্যা বা রাত যত বাড়ে, ইনসুলিন সংবেদনশীলতা তত কমে যায়। ফলে রাতে দেরিতে খাবার খেলে শরীর গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশি হিমশিম খায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘক্ষণ উচ্চ থাকে।
রাতে খাবার খাওয়ার সময় আমাদের শরীর বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়, ফলে শারীরিক কার্যকলাপ কমে যায় এবং পেশিগুলো কম গ্লুকোজ ব্যবহার করে। নিয়মিত দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস ওজন বৃদ্ধি এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে, ঘুমানোর অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করা উচিত এবং খাওয়ার পর ১০-২০ মিনিটের হালকা হাঁটা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে।