সংকীর্ণ ব্যবধানে জয়ী হয়ে পেরুর প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন কেইকো ফুজিিমোরি। অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, তাঁর বাবার বিতর্কিত শাসনশৈলী ফিরে আসার আশঙ্কা করছেন সমালোচকরা।
পেরুর প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন কেইকো ফুজিিমোরি। জুন মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বামপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী রবার্তো সানচেজকে অল্প ব্যবধানে পরাজিত করে তিনি এই সাফল্য অর্জন করেন। গত কয়েক বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
ফুজিিমোরির নির্বাচনী প্রচারণার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা। ক্রমবর্ধমান অপরাধ এবং গ্যাং কাল্ট মোকাবিলায় তিনি 'লৌহ হাতে' ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। এর মধ্যে এল সালভাদরের আদলে বিশাল কারাগার নির্মাণ এবং অপরাধীদের কঠোর শাস্তির মতো প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে তাঁর এই জয় পেরুর রাজনীতিতে একটি বিভাজনকারী রাজবংশের প্রত্যাবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফুজিিমোরির কন্যা। তাঁর বাবার শাসনামলের মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির কারণে সমালোচকরা আশঙ্কা করছেন যে, কেইকোও তাঁর বাবার মতো কঠোর ও বিতর্কিত শাসন চালাতে পারেন।