২০২৪ সালে আসাদ শাসনের পতনের পর, তাসাবেহজি পরিবারের মতো হাজার হাজার সিরীয় প্রবাসী তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে আসছে। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, তারা নতুন করে সমাজ ও দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছেন।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আসাদ শাসনের পতনের পর, ইয়াসিন তাসাবেহজি এবং তার পরিবার কানাডার টরন্টো ছেড়ে সিরিয়ার দামেস্কে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। দীর্ঘ বছর প্রবাসে থাকার পর, তারা অনুভব করেন যে তাদের মাতৃভূমির এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। তারা দামেস্কে একটি ক্লাইম্বিং জিম খুলেছেন, যা কেবল একটি ব্যবসা নয়, বরং তরুণদের জন্য একটি সামাজিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।

বর্তমানে প্রায় ১৫ লক্ষ সিরীয় প্রবাসী তাদের দেশে ফিরে এসেছেন। কেউ তুরস্ক বা লেবানন থেকে, আবার কেউ ইউরোপ বা উপসাগরীয় দেশ থেকে। যদিও সিরিয়ার পুনর্গঠনে প্রায় ২১৬ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বেশ কঠিন, তবুও অনেক নাগরিক নতুন করে জীবন গড়ার আশায় ফিরে আসছেন।

তবে এই প্রত্যাবর্তন সহজ নয়। দীর্ঘ যুদ্ধের পর ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসা মানুষের মধ্যে সামাজিক সমন্বয় এবং সম্পদের সুষম বণ্টন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন সরকার আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করছে যাতে দ্রুত অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা যায়।