মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উত্তজনা সত্ত্বেও ইরাকের কারবালায় আরবাঈন তীর্থে ২২ মিলিয়নেরও বেশি শিয়া মুসলিম সমবেত হয়েছেন। এই বিশাল জনসমাগম ইরাকের ধর্মীয় গুরুত্ব তুলে ধরলেও আঞ্চলিক অস্থিরতা ও তেল রপ্তানির সংকট একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইরাকের পবিত্র শহর কারবালায় আরবাঈন তীর্থে ২২ মিলিয়নেরও বেশি শিয়া মুসলিম সমবেত হয়েছেন। আশুরার ৪০ দিন পর এই আয়োজন করা হয়, যা ইমাম হোসেনের শাহাদাতকে স্মরণ করে। এই বিশাল সমাবেশ এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন ইরাক অর্থনৈতিক চাপ, তেল রপ্তানিতে বিঘ্ন এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তজনার সম্মুখীন হচ্ছে।
কারবালার গভর্নর নাসিফ জাসিম আল-খাত্তাবি জানিয়েছেন যে, এই তীর্থযাত্রীদের মধ্যে প্রায় ৫০ লক্ষ বিদেশি পর্যটক অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, আঞ্চলিক যুদ্ধের কারণে ইউরোপীয় এবং অন্যান্য আরব দেশ থেকে আসা তীর্থযাত্রীর সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কম ছিল। অন্যদিকে, ইরানি পর্যটকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
ইরাক বর্তমানে একটি কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, কারণ দেশটির আয়ের ৯০ শতাংশই আসে তেল রপ্তানি থেকে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার ফলে তেল রপ্তানিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে বাগদাদ দেশের অভ্যন্তরে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের নিরস্ত্রীকরণ করার চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে।