ওমানের সাথে একটি নতুন শিপিং রুট নিয়ে ইরান সমঝোতা করেছে, যা হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়ে দিতে পারে। এই প্রস্তাবিত ব্যবস্থার ফলে অধিকাংশ বাণিজ্যিক জাহাজ ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার মধ্য দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হতে পারে।
ইরান এবং ওমান হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে একটি নতুন শিপিং রুটের ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক নিয়ে একমত হয়েছে বলে জানিয়েছে। এই প্রস্তাবিত ব্যবস্থার ফলে পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজগুলো ইরানের নজরদারির অধীনে চলে আসতে পারে। বর্তমানে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শিপিং লেন ব্যবহার করে জাহাজগুলো কোনো অনুমতি ছাড়াই চলাচল করতে পারে, কিন্তু নতুন এই মডেলে অধিকাংশ রুট ইরানের জলসীমার মধ্য দিয়ে যাবে।
এই চুক্তির ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে ইরানের কৌশলগত প্রভাব বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে, কারণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহ করা হয়। তবে জাহাজ পরিদর্শন কে করবে এবং ট্রানজিট ফি কত হবে—তা নিয়ে এখনও মতভেদ রয়েছে। ইরান কার্গোর মূল্যের ৫ থেকে ৭ শতাংশ ফি দাবি করছে, যেখানে ওমান মাত্র ৩ শতাংশ চাইছে এবং আমেরিকা কোনো ফি না দেওয়ার পক্ষে রয়েছে।