রুশ বাহিনীর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের কিয়েভ এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, মিত্র দেশগুলো থেকে মিসাইল ইন্টারসেপ্টর না পাওয়ায় এই প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হতো।
রাশিয়া কিয়েভ এবং এর আশেপাশের অঞ্চলে ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ড্রোন দিয়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে, যাতে অন্তত ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরি পরিষেবা জানিয়েছে যে মঙ্গলবার রাতে এই বিশাল হামলা চালানো হয়, যার ফলে ব্রোভারি ও বুচার গুদামঘরগুলোতে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন, এই হামলায় ২৪টি ব্যালিস্টিক মিসাইল, ৪টি ক্রুজ মিসাইল এবং ১১৫টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, বেসামরিক গুদামঘর এবং পরিকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। জেলেনস্কির মতে, মিত্র দেশগুলোর পক্ষ থেকে মিসাইল ইন্টারসেপ্টর সরবরাহে বিলম্বের কারণেই এই ভয়াবহ প্রাণহানি ঘটেছে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনও রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে রাশিয়ার বৃহত্তম অনলাইন রিটেইলার ওয়াইল্ডবেরিস-এর একটি গুদামঘর লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এদিকে, ইউক্রেনের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে যে মস্কো উত্তর কোরিয়া থেকে নতুন মিসাইল ইউনিট গ্রহণ করেছে, যা যুদ্ধের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।