পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্ক মক্কায় একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যেখানে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলাকে সকলের বিরুদ্ধে হামলা হিসেবে গণ্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এই জোটের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
গত ৭ আগস্ট মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্ক একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা কাঠামোর পরিবর্তনকে নির্দেশ করে। এই চুক্তির অধীনে তিনটি দেশ সম্মিলিত নিরাপত্তা এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করার অঙ্গীকার করেছে। কাগজে-কলমে এই জোট অত্যন্ত শক্তিশালী: পাকিস্তানের পারমাণবিক ক্ষমতা, সৌদি আরবের অর্থনৈতিক প্রভাব এবং তুরস্কের উন্নত সামরিক শিল্প সক্ষমতা এই জোটকে একটি বিশেষ মাত্রা প্রদান করে।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা এবং মার্কিন কৌশলগত উপস্থিতির সম্ভাব্য হ্রাস এই চুক্তির অন্যতম চালিকাশক্তি। তবে এই চুক্তির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো এটি এমন এক সময়ে স্বাক্ষরিত হয়েছে যখন অঞ্চলটি চলমান যুদ্ধের কবলে। সৌদি আরবের ওপর ইরানের ক্রমাগত হামলা এবং চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে, এই যৌথ প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতিটি বর্তমানে অনেকটা প্রতীকী বলে মনে হচ্ছে।