হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপ সত্ত্বেও, সিরিয়ার সরকার এতে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা কম। লেবাননে সামরিক হস্তক্ষেপ সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লেবাননে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণ করতে সিরিয়ার হস্তক্ষেপের ধারণা বারবার উত্থাপন করেছেন। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হলো ইরান বিরোধী চাপের একটি নতুন কৌশল হিসেবে এই বিকল্পটি ব্যবহার করা। তবে দামেস্কের জন্য এই সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
লেবাননে সিরীয় বাহিনী পাঠালে তা হিজবুল্লাহকে রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে পারে এবং উভয় দেশকেই অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। এর ফলে সিরিয়া ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার মুখে পড়তে পারে, যা সরাসরি দামেস্কের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে। বর্তমানে সিরিয়া তার নতুন নেতৃত্বের অধীনে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং স্থিতিশীলতার দিকে মনোনিবেশ করছে, যা যুদ্ধের মাধ্যমে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সিরিয়ার সেনাবাহিনী বর্তমানে অভ্যন্তরীণ সংহতি এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে। লেবাননে প্রবেশ করা সহজ হলেও সেখান থেকে ফিরে আসা বা রাজনৈতিক সমাধান নিশ্চিত করা অত্যন্ত কঠিন হতে পারে। এছাড়া, সিরীয় বাহিনীর উপস্থিতি লেবাননের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যা সিরিয়ার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা কমিয়ে দেবে।