পশ্চিমী দেশগুলোর কাছ থেকে দাসপ্রথার জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা এবং আর্থিক ক্ষতিপূরণ চেয়ে আফ্রিকার প্রধান কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছে ঘানা।
আটলান্টিক দাসপ্রথার ইতিহাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে এখন এক নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। দাসপ্রথার মাধ্যমে লাভবান হওয়া দেশ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা, ঋণ মুক্তি এবং আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি জোরালো হচ্ছে। সম্প্রতি জাতিসংঘ দাসপ্রথাকে 'মানবতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অপরাধ' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যদিও অনেক শক্তিশালী দেশ এতে অনীহা প্রকাশ করেছে।
ঘানা এই লড়াইয়ের অগ্রভাগে রয়েছে। ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্যামুয়েল ওকুজেটো আবলাকওয়া জানিয়েছেন যে, ঘানা এই নৃশংসতার অন্যতম প্রধান কেন্দ্রস্থল ছিল। তিনি কেবল সরাসরি অর্থ নয়, বরং শিক্ষা অনুদান, তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য মূলধন এবং স্বাস্থ্য গবেষণার মতো বিষয়গুলোতে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
এই দাবির তালিকায় চার্চ অফ ইংল্যান্ডের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোও রয়েছে, যারা ঐতিহাসিকভাবে দাসপ্রথার মাধ্যমে লাভবান হয়েছিল। যদিও কিছু পক্ষ স্থানীয় সহযোগিতার কথা বলে দায় এড়াতে চায়, কিন্তু ঘানার নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছে যে, পুরো দাসপ্রথার কাঠামোটি ছিল পশ্চিমা শক্তিগুলোর পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।