তুরস্ক সফর শেষে ফেরার পথে ইরানের মিসাইল হামলার আশঙ্কায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গোপনে একটি বিকল্প বিমানে চড়েছেন। এই ঘটনাটি ইরান ও ট্রাম্পের মধ্যকার ব্যক্তিগত শত্রুতা ও যুদ্ধের তীব্রতাকে নতুন করে সামনে এনেছে।
সম্প্রতি প্রকাশ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে তুরস্কের ন্যাটো সম্মেলন শেষে ফেরার পথে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত গোপনে একটি বিকল্প বিমান ব্যবহার করেছিলেন। মূলত ইরানের মিসাইল হামলার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তার খাতিরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ট্রাম্পকে একটি ক্যাটারিং ট্রাকের মাধ্যমে গোপনে বিমান পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং মূল 'এয়ার ফোর্স ওয়ান' বিমানটিকে একটি ফাঁদ বা ডিকয় হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।
এই ঘটনাটি ইরান ও ট্রাম্পের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যক্তিগত সংঘাতের একটি চিত্র তুলে ধরে। ইরান বরাবরই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছে বলে দাবি করা হয়। বিশেষ করে ২০২০ সালে কাসেম সোলেমানি নিহতের পর থেকে এই উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিক্রেট সার্ভিসকে প্রতিনিয়ত এই ধরণের জটিল কৌশল অবলম্বন করতে হচ্ছে।