সিএজি রিপোর্ট অনুযায়ী, জুনিয়র কমিশনড অফিসারদের বেতন পেতে দীর্ঘ বিলম্ব এবং লাইসেন্সবিহীন এক্স-রে মেশিনের ব্যবহার নিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে সংসদীয় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (PAC)। এছাড়া সামরিক হাসপাতালের ভবন ধসে পড়া এবং অডিট এড়ানোর বিষয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
সংসদের পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (PAC), যার নেতৃত্বে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা কে.সি. ভেনুগোপাল, সিএজি-র রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে তীব্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। রিপোর্টে দেখা গেছে যে জুনিয়র কমিশনড অফিসারদের বেতন প্রদানে দীর্ঘ বিলম্ব হচ্ছে। ২০২০-২১ থেকে ২০২২-২৩ সালের মধ্যে প্রায় ৩ লক্ষ কোটি টাকার বেতন ও ভাতা ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া গেছে, যেখানে বেতন প্রসেস করতে গড়ে ৬৮ থেকে ৮০ দিন সময় লাগে।
রিপোর্টে আরও জানানো হয়েছে যে, কোনো কারণ ছাড়াই প্রায় ৬ লক্ষেরও বেশি বেতন আদেশ বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া, সামরিক হাসপাতালের রক্ষণাবেক্ষণে গাফিলতির কারণে ল্যান্সডাউনের একটি হাসপাতালের অংশ ধসে পড়েছিল। কমিটি আরও জানতে চেয়েছে কেন ছয়টি হাসপাতালে তেজস্ক্রিয়তা সুরক্ষা লাইসেন্স ছাড়াই এক্স-রে মেশিন চালানো হচ্ছিল। ওষুধের ঘাটতি এবং হাসপাতালের আধুনিকীকরণে বিলম্ব নিয়েও মন্ত্রককে জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে।