লোকসভায় পেশ করা সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৪৬.০২ লক্ষ নিবন্ধিত নার্সদের মধ্যে মাত্র ১৪.২৪ লক্ষ জন নার্স রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ট্র্যাকিং সিস্টেমে (NRTS) নথিভুক্ত হয়েছেন। এর ফলে দেশের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি নার্স এখনও এই জাতীয় ব্যবস্থার বাইরে রয়েছেন।
ভারতে নার্স রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ট্র্যাকিং সিস্টেম (NRTS) চালু হওয়ার সাত বছর পার হয়ে গেলেও এর বাস্তবায়নে ব্যাপক বৈষম্য দেখা দিচ্ছে। লোকসভায় পেশ করা সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট ৪৬.০২ লক্ষ নিবন্ধিত নার্সদের মধ্যে মাত্র ১৪.২৪ লক্ষ জন এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নথিভুক্ত হয়েছেন। এর ফলে ৩১.৭৮ লক্ষ নার্স এখনও জাতীয় ব্যবস্থার আওতায় নেই, যা তাঁদের কর্মসংস্থান এবং নথিপত্র যাচাইকরণের ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করছে।
রাজ্যভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে কর্ণাটক, তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশের মতো বড় রাজ্যগুলো এই ক্ষেত্রে বেশ পিছিয়ে রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, কর্ণাটকে ৫.৫৮ লক্ষ নিবন্ধিত নার্স থাকলেও মাত্র ৮২,০০০ জন এনআরটিএস-এ নথিভুক্ত। অন্যদিকে, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডের মতো রাজ্যগুলো এই প্রক্রিয়ায় বেশ সফল হয়েছে। বিহার তাদের মোট নিবন্ধিত নার্সদের প্রায় সিংহভাগই এই ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে।
এই অসম্পূর্ণ বাস্তবায়নের ফলে নার্সদের কাজের স্থান পরিবর্তন করার জন্য প্রয়োজনীয় 'অনাপত্তি শংসাপত্র' (NOC) পেতে এবং বিদেশে কাজের জন্য নথিপত্র যাচাইকরণে দীর্ঘ বিলম্বের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। কংগ্রেস সাংসদ আন্তো অ্যান্টনি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ছয় মাসের মধ্যে সমস্ত নিবন্ধিত নার্সদের এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করার এবং এনইউআইডি (NUID) কার্ড ইস্যু করার আহ্বান জানিয়েছেন।