২০১৪ সালে রবিন উইলিয়ামসের মৃত্যুর ১২ বছর পরও তার দয়ালু কাজের গল্পগুলো সামনে আসে। জুমাঞ্জি চলচ্চিত্রের শিশুতারকা ব্র্যাডলি পিয়ার্স জানান, উইলিয়ামস প্রযোজকদের অতিরিক্ত কাজের চাপে হস্তক্ষেপ করে শিশুদের রক্ষা করেন।

১৯৯৫ সালের পরিবারিক চলচ্চিত্র জুমাঞ্জিতে ব্র্যাডলি পিয়ার্স ১৩ বছর বয়সে জলময় দৃশ্যে শ্বাস নিতে সমস্যায় পড়েন, কারণ তার মেকআপ ও জল তার নাক বন্ধ করে দেয়। সেটে আট দিনের শ্যুটিং সকলকে ক্লান্ত করে দিয়েছিল, এবং প্রযোজকরা অতিরিক্ত সময় কাজের জন্য শিশুর বাবা-মায়ের কাছে অনুরোধ করেন, যা আইনি ভাবে অনুমোদিত ছিল না।

রবিন উইলিয়ামস এই আলোচনাগুলো শুনে সঙ্গে সঙ্গে পরিচালক ও প্রযোজকদের পাশে গিয়ে বললেন, “অতিরিক্ত সময় হবে না, সবাইকে এখনই ছেড়ে দিন, পরের সপ্তাহে আবার শ্যুট করব।” তার এই দৃঢ় সুরক্ষা এবং দয়ার কাজের ফলে শিশুরা নিরাপদে শ্যুটিং শেষ করতে পেরেছে এবং শিল্পে নৈতিক মানদণ্ডের উদাহরণ স্থাপন করেছে।