ধর্মেন্দ্র দুইবার পদত্যাগের আবেদন করেন, তবে সরকার তার ইস্তফা প্রত্যাখ্যান করে। নেটের প্রশ্নফাঁস আন্দোলনের চাপের মুখে তিনি শনি‑দুপুরে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে পদত্যাগ করেন এবং রাষ্ট্রপতি তা গ্রহণ করেন। তার পরিবর্তে প্রহ্লাদ জোশী নতুন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।

নেটের প্রশ্নফাঁস আন্দোলন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফার প্রস্তুতি নেয়া হয় ধর্মেন্দ্র প্রধান। সূত্র অনুযায়ী তিনি দু'বার নেতৃত্বের দরবারে ইস্তফা চেয়েছিলেন, তবে সরকার তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।

শেষমেশ শনি‑দুপুরে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে পদত্যাগ করেন, যা রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেন। সিজেপি দ্বারা আরোপিত তিনটি দাবি—ইস্তফা, আত্মহত্যা শিকার পরিবারের ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ না‑করার নিশ্চয়তা—এর মধ্যে প্রথমটি সরকার কঠিনভাবে মেনে নেয়নি, তবে জেপি নড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংহের সঙ্গে বৈঠকের পর অবশেষে ধর্মেন্দ্রের পদত্যাগ স্বীকার করে।

ধর্মেন্দ্রের পরিবর্তে প্রহ্লাদ জোশী নতুন শিক্ষামন্ত্রী নিয়োগ পেয়েছেন এবং প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের পরবর্তী ধাপগুলোতে সরকার কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে তা নজরে থাকবে।