প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মোদি সরকার কাগজ ফাঁসের মোকাবিলায় দ্রুত ট্র্যাক আদালত গঠন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশাল রিফর্ম ঘোষণা করেছে। ছাত্র আন্দোলনের তীব্রতা কমাতে সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
নতুন ফাস্ট‑ট্র্যাক আদালত গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের বদলানো হয়েছে; নরেশ গঙ্গোয়ারকে নতুন শিক্ষা সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে এবং বিনীত জোশিকে পঞ্চায়েত রাজ বিভাগে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো কাগজ ফাঁসের দায়ীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদি ভিডিও বার্তায় বলেছেন, কাগজ ফাঁস কোনো ছোটখাটো বিষয় নয় এবং যে কেউ এই অপরাধে জড়িত হবে তাকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। সরকার ইতিমধ্যে চারটি রাজ্যে (দিল্লি, মুম্বাই, কলকাতা ও মধ্যপ্রদেশ) ফাস্ট‑ট্র্যাক আদালত গঠন করেছে, যেখানে মামলাগুলো প্রতিদিন শুনানি হবে।
অধিকাংশ রাজ্য সরকারের এবং কেন্দ্রের মন্ত্রণালয়গুলো এখন মিশন মোডে কাজ করছে, যাতে পরীক্ষার সময়সূচি দ্রুত নির্ধারিত হয় এবং ফলাফল দ্রুত প্রকাশিত হয়। ছাত্র আন্দোলন ও প্রতিবাদে সরকার তীব্র মনোযোগ দিয়ে সমস্যার সমাধান করতে চাচ্ছে।