কোনো রাজনৈতিক বংশপরিচয় বা দলীয় কাঠামো ছাড়াই ছাত্র আন্দোলনকারী ও সিজেপি (CJP) ভারতের অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতাদের পরাজিত করেছে। তাদের ধারাবাহিকতা এবং কৌশলগত আন্দোলনের ফলে মোদী সরকার অবশেষে তাদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে।
ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা। কোনো রাজনৈতিক বংশপরিচয় বা দশকের পর দশক ধরে আন্দোলনের অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও, সিজেপি (CJP) এবং ছাত্র বিক্ষোভকারীরা ভারতের অভিজ্ঞ রাজনৈতিক শ্রেণীকে পরাস্ত করতে সক্ষম হয়েছে। দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের আন্দোলনের পর, মোদী সরকার অবশেষে তাদের মূল দাবিগুলো মেনে নিয়েছে এবং শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন।
এই আন্দোলনের সাফল্যের মূলে ছিল এর কৌশল। ছাত্ররা কোনো রাজনৈতিক দলের মতো আচরণ করেনি, ফলে সরকার তাদের আন্দোলনকে কেবল 'নির্বাচনী নাটক' হিসেবে খারিজ করতে পারেনি। বিরোধী দলগুলো সমর্থন দিলেও, আন্দোলনের মূল মুখগুলো ছিল ছাত্ররা, কোনো প্রবীণ রাজনীতিবিদ নন। এর ফলে আন্দোলনের স্বচ্ছতা বজায় ছিল এবং এটি রাজনৈতিক মেরুকরণের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।
এছাড়া, সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার এই আন্দোলনকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে। ফেসবুক বা এক্স (X)-কে কেবল তথ্য দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে না দেখে, তারা একে আন্দোলনের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। তাদের দাবিগুলো ছিল সুনির্দিষ্ট এবং অবিচল, যা সরকারকে কোনো আপস করার সুযোগ দেয়নি।