গত পাঁচ দশকে ইসরায়েলি সরকারগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যাহত করেছে এবং উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে। গোপন তথ্য, স্মৃতিচারণ এবং একাডেমিক গবেষণা এই ধারাবাহিক নীতির প্রমাণ প্রদান করে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাতের প্রস্তুতি নেন, তখন গাল্ফে সংঘাত শেষ করার কোনো প্রচেষ্টাকে বাধা দেওয়ার সম্ভাবনা দেখা যায়। পাঁচ দশকের বেশি সময়ে গোপন গোয়েন্দা অপারেশন, জনমত গঠন, লবিং এবং রাজনৈতিক চাপের মাধ্যমে ইসরায়েল ধারাবাহিকভাবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা বজায় রাখতে চেয়েছে।

এই কৌশলটি ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় গড়ে ওঠে, যখন ইসরায়েল উভয় পক্ষকে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত বজায় রাখতে চেয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে, লেবাননে পশ্চিমা বন্দীদের মুক্তি এবং আফগানিস্তানের রাজনৈতিক পরিবর্তনেও ইসরায়েল এই কৌশলকে পুনরায় প্রয়োগ করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের নীতিকে প্রভাবিত করে এবং ইরানের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে দুর্বল করে।