কেকো ফুজিমোরি পেরুর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার বামপন্থী প্রতিপক্ষকে সংকীর্ণ পার্থক্যে পরাজিত করে তিনি দেশের রাজনৈতিক দিককে ডানদিকে সরিয়ে নেন। তবে অনেকেই সন্দেহ করছেন তিনি তার পিতার প্রাক্তন নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের উত্তরাধিকারকে পুনরাবৃত্তি করবেন কি না।

কেকো ফুজিমোরি ১৫ বছরের চেষ্টার পর পেরুর শীর্ষ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন, এবং তিনি প্রথম নারী প্রেসিডেন্টের রেকর্ড গড়ে তুলেছেন। তার জয় লাতিন আমেরিকায় ডানপন্থী শাসনের ধারাকে আরও শক্তিশালী করে।

যদিও তিনি দেশের ঐক্য রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বহু বিশ্লেষক ও নাগরিক তাকে সন্দেহের চোখে দেখছেন। তার স্বামী আলবার্তো ফুজিমোরি, যিনি মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতির জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন, তার নীতিগুলি পুনরায় চালু হবে কিনা তা এখন প্রশ্নের মুখে।

কেকো ফুজিমোরির সরকার কীভাবে পেরুর রাজনৈতিক বৈচিত্র্যকে সামলাবে এবং তার পিতার উত্তরাধিকার থেকে কতটা বিচ্ছিন্ন হবে, তা দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের মূল চাবিকাঠি হবে।