বিশ্বজুড়ে ওলিগার্ক এবং কর্পোরেট লবিংয়ের প্রভাবে মানুষের মৌলিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকার হুমকির মুখে পড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুক্তরাজ্য পর্যন্ত বিস্তৃত এই দমনমূলক ধারা গণতন্ত্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বর্তমান বিশ্বে ওলিগার্ক এবং কর্পোরেট লবিংয়ের যুগে আমাদের মৌলিক অধিকারগুলো চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসন থেকে শুরু করে যুক্তরাজ্যের সাম্প্রতিক আইনি পদক্ষেপগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ভিন্নমত দমন করার একটি বৈশ্বিক প্রচেষ্টা চলছে। মার্কিন সরকারি কর্মকর্তারা সন্ত্রাসবাদ দমনের নাম করে রাজনৈতিক বামপন্থীদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছেন, যা অনেকটা নাৎসি আমলের কৌশলের মতো মনে হয়।
যুক্তরাজ্যেও এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যেখানে আইনজীবী রাজীব মেনন এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা হচ্ছে। জুরি সিস্টেম বা বিচারকদের বিবেচনামূলক অধিকার খর্ব করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা মূলত অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের শেষ প্রতিরক্ষা কবচ। কর্পোরেট সংস্থা এবং বিলিয়নেয়ারদের অর্থায়িত বিভিন্ন গ্রুপ 'মডেল আইন' তৈরির মাধ্যমে প্রতিবাদ করার অধিকার এবং রাজনৈতিক সমতা কমিয়ে দিচ্ছে।
নতুন আইনগুলোর মাধ্যমে পুলিশকে এখন যেকোনো প্রতিবাদ বন্ধ করার ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে, যদি তারা মনে করে সেই প্রতিবাদ জনজীবনে প্রভাব ফেলছে। এর ফলে সাধারণ নাগরিকরা এখন প্রতিবাদ করার জন্য কারাবরণ করতে পারেন। মূলত, পুঁজির স্বার্থ রক্ষায় মানুষের কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করার একটি সুসংগঠিত বৈশ্বিক আন্দোলন চলছে।